মেনু নির্বাচন করুন

শিক্ষা ও মৃৎ শিল্প

শিক্ষা: বেসরকারি সংগঠন কারিতাস ২০০৯ সাল থেকে সরকারের পাশাপাশি দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। হাজারও সমস্যায় জর্জরিত অনগ্রসর অঞ্চলের ছন্ন ছাড়া মানুষের জীবনে ছন্দ আনতে কারিতাস তার জন্মলগ্ন থেকে নিরলস ভাবে কাজ করছে। যে কোন টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন জীবন মান বৃদ্ধি। মাথা পিছু আয় বৃদ্ধিকে এখন একবাক্যে উন্নয়ন বলার অবকাশ কম যা জাতিসংঘের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল পর্যালোচনা করলে অনেকটা বুঝা যায়। এই সার্বজনিন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে সকল শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসতে হবে , ঝরে পড়া রোধ করতে হবে এবং গ্রেড-৫(পঞ্চম শ্রেণী) সম্পন্ন করতে হবে। কারন প্রাথমিক শিক্ষা শত ভাগ নিশ্চিত করতে না পারলে কোন উন্নয়নই টেকসই হবে না। তারই ধারাবাহিকতা বরইতলী ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের বিবিরখীল জেলেপাড়া গ্রামে “ব্রাদার প্লেবিয়ান পিডার স্কুল” প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জেলে পাড়ার সকল ঝরে পড়া ছাত্র ছাত্রীদের জন্য আর্শীবাদ স্বরুপ।

 

মৃৎ শিল্পঃ যুগ পরম্পরায় বাঙালিরা সমুদ্র পথে নানা দেশে বাণিজ্য করেছেন। তৈরি করেছেন ঐতিহাসিক অনেক জিনিস,  যা আমাদের ঐতিহ্য ও ধারাকে বহন করে। এ প্রসঙ্গে মৃৎ শিল্পের কথা বলা যায়। রঙের বিন্যাস, কারিগরি দক্ষতা, বাস্তবধর্মী আঙ্গিক, সৌম্য আর সূক্ষ্মতার ব্যঞ্জনায় মৃৎশিল্পীরা যুগ যুগ ধরে সমাদৃত। পোড়ামাটির নানাবিধি কাজ, গৃহস্থালির নিত্যব্যবহার্য দ্রব্যাদি, পুতুল, খেলনা, প্রতিমা, প্রতিকৃতি, টপ, শোপিস সহ অসংখ্য জিনিস আজও কুমারশালায় তৈরি হয়ে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাচ্ছে। একসময় কাউকে মাটির তৈরি হাঁড়ি কিংবা গণেশের মূর্তি দিলে বিনিময়ে ওই পাত্রে বা মূর্তির পেটে যত চাল ধরে ততটাই দেওয়া হতো শিল্পীকে। আজ শিল্পীদের চাল জোটেনা, জোটে কিছু নগদ অর্থ। তারপরও এদেশের কুমাররা ধরে রেখেছেন তাঁদের নিজস্ব ঐতিহ্য। বিলুপ্তির পথে চলে যাওয়া কুমার শিল্প আবার যেন ফিরে আসছে তাঁদের নিখুঁত কাজের মাধ্যমে। সত্যিকার অর্থে ন্যায্য মূল্য ও পূর্ণসম্মানী পেলে হারিয়ে যাওয়া মৃৎশিল্প আবার পুনরুজ্জীবিত হবে। নতুন নতুন ভাবনা তৈরি করবে এবং অনেককেই এই পেশায় আগ্রহী করে তুলবে।


Share with :

Facebook Twitter